শেষবার আফগানিস্তান ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হলে ২০১৫ সালে একদিনের আন্তর্জাতিক (ODI) ম্যাচে কী ঘটেছিল?

শেষবার আফগানিস্তান ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হলে ২০১৫ সালে একদিনের আন্তর্জাতিক (ODI) ম্যাচে কী ঘটেছিল?

আফগানিস্তান এবং ইংল্যান্ড এখন পর্যন্ত মাত্র তিনবার একদিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) ক্রিকেটে মুখোমুখি হয়েছে। তিনটি ম্যাচই আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারা একে অপরের বিপক্ষে খেলেছে ২০১৫, ২০১৯ এবং ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে।

শেষবার আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডের মুখোমুখি সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০২৩ আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের লিগ পর্বে, দিল্লিতে। সেই ম্যাচে আফগানিস্তান ৬৯ রানের ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে তাদের ইতিহাসের প্রথম ওডিআই জয় নিশ্চিত করে।

প্রথমে ব্যাট করে, আফগানিস্তানের ইনিংসের ভিত গড়ে দেন রহমতুল্লাহ গুরবাজ। তিনি ৫৭ বলে ৮০ রান করেন, যেখানে ছিল ৮টি চার ও ৪টি ছক্কা। ওপেনিং পার্টনার ইব্রাহিম জাদরানের সঙ্গে ১১৪ রানের জুটি গড়েন, যা আফগানিস্তানকে ভালো সংগ্রহের দিকে নিয়ে যায়।

মুজিব উর রহমান ১৬ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে ২৮৪ রানের সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেন।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড শুরুতেই ধাক্কা খায় এবং ৩৩ রানে ২ উইকেট হারায়। আফগানিস্তানের হয়ে রশিদ খান ও মুজিব উর রহমান দুর্দান্ত বোলিং করেন, দুজনেই ৩টি করে উইকেট নেন।

ইংল্যান্ড নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত ২১৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। হ্যারি ব্রুক ৬৬ রান করে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ স্কোর করেন, তবে মুজিব উর রহমান অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন।

আফগানিস্তান ২০২৫ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হবে।

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫-এর অষ্টম ম্যাচটি ২৬ ফেব্রুয়ারি, বুধবার, লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আফগানিস্তান এবং ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

দুইটি দলই এই ম্যাচে আসছে তাদের respective প্রথম ম্যাচে হারার পর। ইংল্যান্ড লাহোরে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩৫১ রান তাড়া করার মুখোমুখি হয়েছিল। জশ ইংলিসের অসাধারণ ১২০ রান (৮৬ বল) এর সাহায্যে অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ডকে পরাস্ত করে।

অন্যদিকে, আফগানিস্তান দক্ষিণ আফ্রিকার বিধ্বংসী বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। ৩১৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে তারা ২০৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। তাদের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন রহমত শাহ, ৯০ রান (৯২ বল) এর সাহায্যে।

একটি জয় দুটি দলের সেমি-ফাইনালে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বাড়াবে, আর হার হলে তাদের টুর্নামেন্টে আরো এগিয়ে যাওয়ার জন্য অন্য ফলাফলের উপর নির্ভর করতে হবে।

এবার, চলুন দেখে নেওয়া যাক আফগানিস্তান এবং ইংল্যান্ডের শেষ একদিনের ম্যাচে কী ঘটেছিল

E2Bet welcomes you! Get ready for fun and excitement with our games!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top